BIniQo AMP
Al-Arafah Islami Bank PLC

আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক ডাবল বেনিফিট স্কিম ২০২৬

✍ Dipak Karmoker 🕒 1 min read 📅 18 Mar 2026

বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় নিরাপদ ও হালাল উপায়ে সঞ্চয় বৃদ্ধি করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। মূল্যস্ফীতির বাজারে টাকার মান ধরে রাখতে এবং ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে সঠিক বিনিয়োগ মাধ্যম নির্বাচন জরুরি। ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক সুদমুক্ত সঞ্চয়ের জন্য দেশের শীর্ষস্থানীয় শরিয়াহভিত্তিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক ফিক্সড ডিপোজিট স্কিম চালু রেখেছে। এই স্কিমের মাধ্যমে গ্রাহকরা নির্দিষ্ট মেয়াদে অর্থ জমা রেখে আকর্ষণীয় মুনাফা অর্জনের সুযোগ পান।

আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-তে মুদারাবা মেয়াদী আমানত (MTDR) বা ফিক্সড ডিপোজিটে বর্তমানে প্রায় ৯.০০% থেকে ১১.২৫% পর্যন্ত (প্রাক্কলিত) মুনাফা পাওয়া যাচ্ছে। ১০০ দিনের মেয়াদে ১১.০০% এবং দীর্ঘমেয়াদী ডিপোজিটে ১১.২৫% পর্যন্ত মুনাফা পাওয়া যায়। এই হার পরিবর্তিত হতে পারে। সম্পূর্ণ সুদমুক্ত ও শরিয়াহসম্মত এই বিনিয়োগ মাধ্যম ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আসুন জেনে নিই আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক ফিক্সড ডিপোজিট রেট ২০২৬ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য।

আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের জনপ্রিয় ফিক্সড ডিপোজিট স্কিমসমূহ

গ্রাহকদের বিভিন্ন চাহিদা ও সঞ্চয়ের লক্ষ্য পূরণে ব্যাংকটি বেশ কিছু আকর্ষণীয় স্কিম পরিচালনা করছে। নিচে এগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

ক) মুদারাবা মেয়াদী আমানত (MTDR)

এটি সবচেয়ে সাধারণ ও জনপ্রিয় ফিক্সড ডিপোজিট পদ্ধতি। এখানে আপনি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা এককালীন জমা রাখেন এবং মেয়াদ শেষে মুনাফাসহ মূল টাকা ফেরত পান।

খ) মাসিক মুনাফাভিত্তিক আমানত (PTD)

যারা এককালীন বড় অঙ্কের টাকা জমা রেখে প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট আয়ের উৎস তৈরি করতে চান, তাদের জন্য এই স্কিমটি আদর্শ। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই প্রতি মাসে মুনাফা আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে।

গ) মুদারাবা সমৃদ্ধি বেনিফিট স্কিম

এই স্কিমটি দীর্ঘমেয়াদী সঞ্চয়ের জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয়। বর্তমানে নির্দিষ্ট মেয়াদে টাকা জমা রাখলে তা প্রায় দ্বিগুণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এটি মূলত ডিপিএস (DPS) ধরনের একটি স্কিম, যেখানে নিয়মিত কিস্তি জমা দিয়ে বড় অঙ্কের সঞ্চয় তৈরি করা যায়।

ঘ) মুদারাবা লখপতি ও মিলিয়নিয়ার স্কিম

ভবিষ্যতে বড় অঙ্কের অর্থের প্রয়োজন মাথায় রেখে ছোট ছোট কিস্তিতে সঞ্চয়ের একটি কার্যকর পদ্ধতি। নির্দিষ্ট সময় পর আপনি লাখপতি বা মিলিয়নিয়ার হতে পারেন।

ঙ) পেনশন ডিপোজিট স্কিম (PDS)

চাকরিজীবীদের অবসরোত্তর জীবন সুরক্ষিত করার জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা এই স্কিম। এখানে নিয়মিত কিস্তি জমা রেখে অবসর পরবর্তী সময়ে মাসিক আয়ের নিশ্চয়তা তৈরি করা যায়। বর্তমানে এতে ১১.০০% – ১২.০০% পর্যন্ত প্রাক্কলিত মুনাফা পাওয়া যাচ্ছে।

আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক ফিক্সড ডিপোজিট রেট ২০২৬

ইসলামী ব্যাংকিংয়ে মুনাফার হার আগে থেকে শতভাগ নিশ্চিত করা না গেলেও, বিগত বছরের তথ্য ও বর্তমান বাজার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে একটি প্রাক্কলিত হার জানানো হয়। আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক ফিক্সড ডিপোজিট রেট সম্পর্কে ধারণা দিতে নিচের ছকটি লক্ষ্য করুন:

মেয়াদী আমানতের ধরন মেয়াদকাল প্রাক্কলিত বার্ষিক মুনাফার হার (প্রায়)
ডে-বেইজড ডিপোজিট ১০০ দিন ৯.০০% – ১০.০০%
ডে-বেইজড ডিপোজিট ২০০ দিন ৯.৫০% – ১১.০০%
ডে-বেইজড ডিপোজিট ৪০০ দিন ১০.২৫% – ১১.২৫%
মুদারাবা মেয়াদী আমানত ১ মাস ৪.৫০% – ৫.০০%
মুদারাবা মেয়াদী আমানত ৩ মাস ৯.৫০% – ১০.০০%
মুদারাবা মেয়াদী আমানত ৬ মাস ১০.০০% – ১০.২৫%
মুদারাবা মেয়াদী আমানত ১২ মাস (১ বছর) ১০.৫০% – ১১.০০%
মুদারাবা মেয়াদী আমানত ২৪ মাস ও তদুর্ধ্ব ১১.০০% – ১২.০০%
মুনাফাভিত্তিক ডিপোজিট (PTD) ১১.০০% – ১২.০০%
পেনশন ডিপোজিট স্কিম (PDS) ১১.০০% – ১২.০০%

দ্রষ্টব্য: উপরোক্ত হারগুলো প্রাক্কলিত (Provisional) এবং পরিবর্তনশীল। চূড়ান্ত মুনাফা ব্যাংকের বার্ষিক বিনিয়োগ আয়ের ওপর নির্ভর করে কম বা বেশি হতে পারে। সর্বশেষ সুনির্দিষ্ট হার জানতে নিকটস্থ আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক শাখায় যোগাযোগ করা উত্তম।

মুদারাবা মেয়াদী আমানত (MTDR) কীভাবে কাজ করে?

আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক ফিক্সড ডিপোজিট মূলত ‘মুদারাবা’ নীতির ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী, এই চুক্তিতে দুটি পক্ষ থাকে:

১. সাহিব আল-মাল (পুঁজি সরবরাহকারী): আপনিই হলেন মূলধন সরবরাহকারী, যিনি ব্যাংকে অর্থ জমা রাখেন।

২. মুদারিব (ব্যবস্থাপক): ব্যাংক হল ব্যবস্থাপক, যা আপনার জমা রাখা অর্থ শরিয়াহ অনুমোদিত খাতে বিনিয়োগ করে।

আপনার জমা রাখা টাকা ব্যাংক বিভিন্ন হালাল ও লাভজনক খাতে (যেমন: বৈদেশিক বাণিজ্য, শিল্প বিনিয়োগ, ক্রয়-বিক্রয়) বিনিয়োগ করে। সেই বিনিয়োগ থেকে অর্জিত মুনাফার একটি নির্দিষ্ট অংশ (সাধারণত ৭০%) আমানতকারীদের মধ্যে তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ ও সময়কাল অনুযায়ী বণ্টন করা হয়। বাকি অংশ ব্যাংক ব্যবস্থাপনা ফি হিসেবে রাখে।

আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক ফিক্সড ডিপোজিট হিসাব খুলতে কী কী প্রয়োজন?

আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকে ফিক্সড ডিপোজিট হিসাব খোলা অত্যন্ত সহজ। আপনার নিকটস্থ শাখায় নিচের নথিপত্র নিয়ে যোগাযোগ করলেই কাজ হয়ে যাবে:

আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক ফিক্সড ডিপোজিটের সুবিধা ও বৈশিষ্ট্য

কেন আপনি আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকে বিনিয়োগ করবেন? নিচে এর কিছু বিশেষ সুবিধা উল্লেখ করা হলো:

১. শরিয়াহ কমপ্লায়েন্স

সম্পূর্ণ সুদমুক্ত এবং দেশের শীর্ষস্থানীয় ইসলামী শরিয়াহ বিশেষজ্ঞদের একটি বোর্ড এই ব্যাংকের কার্যক্রম তদারকি করে।

২. বিনিয়োগ সুবিধা

আপনার ফিক্সড ডিপোজিটের বিপরীতে ৮৫% থেকে ৯০% পর্যন্ত বিনিয়োগ (লোন) সুবিধা গ্রহণ করতে পারেন। জরুরি প্রয়োজনে এটি বিশেষ কাজে আসে।

৩. অটো-রিনিউয়াল সুবিধা

মেয়াদ শেষে আপনি চাইলে টাকা না তুলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুনরায় মেয়াদী হিসাব নবায়ন করতে পারেন। এতে মুনাফা অর্জন ধারাবাহিক থাকে।

৪. নিরাপত্তা

বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের আর্থিক ভিত্তি অত্যন্ত মজবুত। বিআইবিএম ও অন্যান্য সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী এটি নিয়মিত শীর্ষস্থানীয় ব্যাংকগুলোর তালিকায় অবস্থান করে।

৫. মাসিক আয়ের নিশ্চয়তা

পিটিডি (PTD) স্কিমের মাধ্যমে আপনি নিয়মিত মাসিক আয়ের একটি উৎস তৈরি করতে পারেন, যা অবসরজীবনে বা নির্দিষ্ট লক্ষ্য পূরণে সহায়ক।

৬. দ্বিগুণ হওয়ার সম্ভাবনা

সমৃদ্ধি স্কিমের মতো দীর্ঘমেয়াদী স্কিমে বিনিয়োগ করলে নির্দিষ্ট সময় পর আপনার অর্থ দ্বিগুণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

মেয়াদপূর্তির আগে টাকা উত্তোলন করলে কী হবে?

জীবনে নানা জরুরি প্রয়োজন দেখা দেয়। অনেক সময় মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই টাকা তোলার প্রয়োজন পড়ে। একে ব্যাংকিং পরিভাষায় ‘Premature Encashment’ বলা হয়। এক্ষেত্রে:

মুনাফার ওপর কর (Tax) ও আবগারি শুল্ক (Excise Duty)

বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, ব্যাংকে জমা রাখা অর্থের ওপর কিছু কর ও শুল্ক প্রযোজ্য:

উৎস কর (Tax at Source):

আবগারি শুল্ক (Excise Duty):

বছরের শেষে হিসাবের ব্যালেন্সের ওপর ভিত্তি করে আবগারি শুল্ক কাটা হয়। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট হারে এই শুল্ক গ্রাহকের হিসাব থেকে কেটে রাখে।

কেন আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক বেছে নেবেন?

বাংলাদেশে বর্তমানে অনেক প্রচলিত ব্যাংক শরিয়াহভিত্তিক উইন্ডো চালু করলেও, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক শুরু থেকেই একটি পূর্ণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংক হিসেবে পরিচালিত হয়ে আসছে। ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটি গ্রাহকদের মধ্যে আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছে।

২০২৫-২৬ অর্থবছরের অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে যেখানে মুদ্রাস্ফীতি একটি বড় চ্যালেঞ্জ, সেখানে আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক ফিক্সড ডিপোজিট রেট ১০%-১২% মুনাফা প্রদান করে আপনার অর্থের ক্রয়ক্ষমতা ধরে রাখতে সহায়তা করবে। এছাড়া শরিয়াহসম্মত হওয়ায় এটি ধর্মীয় অনুভূতিরও পরিপন্থী নয়।

১ লক্ষ ও ১০ লক্ষ টাকায় মাসিক মুনাফা কত?

অনেকেই জানতে চান, নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা জমা রাখলে মাসে কত টাকা মুনাফা পাওয়া যাবে। নিচে একটি ধারণা দেওয়া হলো:

১ লক্ষ টাকায় মাসিক মুনাফা:

বার্ষিক ১০% থেকে ১২% মুনাফার হারে ১ লক্ষ টাকায় বছরে মুনাফা হবে ১০,০০০ টাকা থেকে ১২,০০০ টাকা। কর কাটার পর মাসে প্রায় ৭৫০ থেকে ৯০০ টাকা পাওয়া সম্ভব।

১০ লক্ষ টাকায় মাসিক মুনাফা:

আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক ফিক্সড ডিপোজিট এ ১০ লক্ষ টাকা জমা রাখলে বর্তমান মুনাফার হার অনুযায়ী কর কাটার পর মাসে প্রায় ৮,৮০০ থেকে ৯,৪০০ টাকা পর্যন্ত মুনাফা পাওয়া যেতে পারে। এই আর্থিক হিসাব নির্ভর করে আপনার টিন থাকা বা না থাকা এবং ব্যাংকের প্রকৃত ঘোষিত মুনাফার ওপর।

সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQs)

মুদারাবা মেয়াদী আমানত (MTDR) কী?

এটি আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের ফিক্সড ডিপোজিট স্কিম, যা ইসলামী মুদারাবা নীতির ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। এখানে ব্যাংক ও গ্রাহকের মধ্যে মুনাফা বণ্টনের একটি শরিয়াহসম্মত চুক্তি সম্পাদিত হয়।

মুনাফার হার কি নির্দিষ্ট?

না, ইসলামী ব্যাংকিংয়ে মুনাফার হার আগে থেকে শতভাগ নিশ্চিত করা যায় না। এটি প্রাক্কলিত (Provisional) এবং চূড়ান্ত মুনাফা ব্যাংকের বিনিয়োগের লাভ-লোকসানের ওপর নির্ভর করে নির্ধারিত হয়।

ফিক্সড ডিপোজিটের বিপরীতে লোন পাওয়া যায় কি?

হ্যাঁ, আপনার ফিক্সড ডিপোজিটের বিপরীতে ৮৫% থেকে ৯০% পর্যন্ত বিনিয়োগ সুবিধা (লোন) গ্রহণ করতে পারেন।

হিসাব খুলতে ন্যূনতম কত টাকা লাগে?

সাধারণ মুদারাবা মেয়াদী আমানতের ক্ষেত্রে ২,০০০ টাকা থেকে শুরু করা যায়। তবে মাসিক মুনাফাভিত্তিক স্কিমের জন্য সাধারণত ১ লক্ষ টাকা ন্যূনতম জমা প্রয়োজন।

মেয়াদ শেষে টাকা তুলতে কতদিন সময় লাগে?

মেয়াদ শেষ হলে আপনি যেকোনো কার্যদিবসে টাকা তুলতে পারবেন। টাকা উত্তোলনের আবেদনের ১-২ কার্যদিবসের মধ্যে আপনার হিসাবে টাকা স্থানান্তরিত হয়।

প্রবাসীরা কি এই স্কিমে অংশ নিতে পারেন?

হ্যাঁ, প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রবাসী ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে অথবা দেশে এসে সরাসরি এই স্কিমে বিনিয়োগ করতে পারেন।

কর কমানোর কোনো উপায় আছে কি?

টিন সার্টিফিকেট থাকলে কর কমানো যায়। এছাড়া নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সুবিধাও রয়েছে। কর সংক্রান্ত বিস্তারিত জানতে কর বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

শেষ কথা

নিরাপদ, স্বচ্ছ ও শরিয়াহসম্মত সঞ্চয়ের জন্য আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক ফিক্সড ডিপোজিট একটি উত্তম মাধ্যম। এটি যেমন আপনার ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করে, তেমনি আপনার অর্থ দেশের উৎপাদনশীল ও হালাল খাতে বিনিয়োগ করে অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বর্তমান বাজারে ৯% থেকে ১২% প্রাক্কলিত মুনাফা অন্যান্য ব্যাংকের তুলনায় যথেষ্ট আকর্ষণীয়।

আপনার যদি অলস অর্থ জমা থাকে, তবে ঘরে না রেখে আজই আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের নিকটস্থ শাখায় যোগাযোগ করুন। আপনার সঞ্চয়ের লক্ষ্য ও প্রয়োজন অনুযায়ী একজন ব্যাংক কর্মকর্তা সঠিক স্কিম বেছে নিতে সহায়তা করবেন। মনে রাখবেন, সঠিক বিনিয়োগই ভবিষ্যতের চাবিকাঠি।