BIniQo AMP
City Bank PLC

সিটি ব্যাংক ঢাকা শাখা সমূহ

✍ Dipak Karmoker 🕒 1 min read 📅 19 Mar 2026

ঢাকা শহরে ব্যাংকিং সেবা নিতে গেলে শাখার সঠিক ঠিকানা না পেয়ে অনেকেই দুর্ভোগে পড়েন। অফিসের কাজ, ব্যবসা বা ব্যক্তিগত প্রয়োজনে যখন জরুরি ভিত্তিতে ব্যাংকে যাওয়া দরকার, তখন শাখার অবস্থান ও সেবার ধরন আগে না জানলে সময় নষ্ট হওয়া স্বাভাবিক।

সিটি ব্যাংক ঢাকা শাখা সমূহ শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে থাকলেও, কোথায় কোন সেবা পাওয়া যাবে, কোন শাখা আপনার জন্য সবচেয়ে সুবিধাজনক—এসব তথ্য অনেকের কাছেই অজানা। বিশেষ করে যখন ঋণের প্রয়োজন হয় বা জরুরি লেনদেন করতে হয়, তখন শাখার সঠিক তথ্য হাতের কাছে থাকা জরুরি।

আমার একজন পরিচিত ছোট উদ্যোক্তা আছেন, তিনি মিরপুরে তার পোশাকের ব্যবসার জন্য এসএমই ঋণ নিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু কোন শাখায় যোগাযোগ করবেন, কী কী কাগজপত্র লাগবে—এসব না জেনে প্রথমবার শুধু শাখা খুঁজতেই তার অর্ধেক দিন চলে যায়। পরে অবশ্য সিটি ব্যাংক থেকে ঋণ পেয়ে তার ব্যবসা অনেক বড় করেছেন। আপনিও যদি সময় বাঁচাতে চান এবং সরাসরি সঠিক শাখায় যেতে চান, তাহলে এই লেখাটি আপনার জন্য।

সিটি ব্যাংক ঢাকা শাখা সমূহ: শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান

ঢাকা শহরের ব্যস্ত জীবনে ব্যাংকিং সেবা পেতে হলে শাখার অবস্থান ও যোগাযোগের তথ্য আগে থেকে জেনে রাখা ভালো। সিটি ব্যাংক ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় তাদের শাখা স্থাপন করেছে—যাতে গ্রাহকরা বাড়ির কাছেই বা কর্মক্ষেত্রের কাছে সেবা নিতে পারেন। নিচে ঢাকার প্রধান শাখাগুলোর তালিকা দেওয়া হলো:

শাখার নাম ঠিকানা যোগাযোগের নম্বর ইমেইল ঠিকানা
মতিঝিল শাখা দিলকুশা কমার্শিয়াল এরিয়া, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ ০২-৯৫৬৫৫২৮, ০১৯৭১-৪০৪১৫১ motijheel@citybankplc.com
বিবি এভিনিউ শাখা ১২, বঙ্গবন্ধু এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ ০২-৯৫৫২২৭৮, ০১৯৭১-৪০৪১৪৭ bbavenue@citybankplc.com
গুলশান শাখা গুলশান এভিনিউ, গুলশান-২, ঢাকা-১২১২ ০২-৮৮৩১৫৮৪, ০১৯৭১-৪০৪১৪৮ gulshan@citybankplc.com
বনানী শাখা হাউস নং ২৮, রোড নং ১১, ব্লক-এফ, বনানী, ঢাকা-১২১৩ ০২-৯৮৭০০৮০, ০১৯৩৬-০১৫০৫৩ banani@citybankplc.com
ধানমন্ডি শাখা হাউস নং ৩১২, রোড নং ২৭, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৯ ০২-৮১২৮২৬৭, ০১৯৭৪-০১১০৭৭ dhanmondi@citybankplc.com
উত্তরা শাখা হাউস নং ১৪, রোড নং ১৪বি, সেক্টর-৪, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ ০২-৮৯৩২০১৪, ০১৯৭১-৪০৪১৪৯ uttara@citybankplc.com
মিরপুর শাখা প্লট নং ১, রোড নং ৬, সেকশন-৬, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬ ০২-৯০১৫২৪৬, ০১৯৭১-৪০৪১৫০ mirpur@citybankplc.com

এই তালিকা দেখে আপনি আপনার এলাকার সবচেয়ে কাছের শাখাটি বেছে নিতে পারেন। তবে মনে রাখবেন, শুধু অবস্থান জানলেই হবে না, প্রতিটি শাখার সেবার ধরনও কিছুটা আলাদা।

মতিঝিল শাখা: ব্যবসায়ীদের প্রথম পছন্দ

মতিঝিল ঢাকার প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা। এখানে সিটি ব্যাংক ঢাকা শাখা সমূহ-র মধ্যে মতিঝিল শাখাটি সবচেয়ে পুরোনো ও ব্যস্ত শাখাগুলোর একটি। দিলকুশা এলাকায় অবস্থিত এই শাখায় মূলত ব্যবসায়ী ও কর্পোরেট গ্রাহকদের আনাগোনা বেশি।

এই শাখায় আপনি বড় অঙ্কের লেনদেন, এলসি খোলা, ট্রেড ফাইন্যান্স ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সেবা পাবেন। ব্যাংকিং সময়সূচি সাধারণত সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে, তবে লেনদেনের জন্য দুপুরের আগে চলে আসা ভালো—কারণ বিকেলে গ্রাহকের চাপ বেশি থাকে।

বিবি এভিনিউ শাখা: কর্পোরেট গ্রাহকদের জন্য বিশেষ সেবা

বঙ্গবন্ধু এভিনিউ এলাকায় অবস্থিত এই শাখাটিও ব্যবসায়ীদের কাছে জনপ্রিয়। এখানে কর্পোরেট ঋণ, বিনিয়োগ সেবা ও বড় অঙ্কের লেনদেনের জন্য আলাদা ব্যবস্থা আছে। আপনি যদি কোনো প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ব্যাংকিং করতে চান, তাহলে এই শাখায় আগে থেকে ফোন করে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নিলে সময় বাঁচবে।

প্রধান শাখাগুলোর সেবা ও বিশেষত্ব

সিটি ব্যাংক ঢাকা শাখা সমূহ-র মধ্যে কয়েকটি শাখা আছে যেগুলো নির্দিষ্ট সেবার জন্য বেশি পরিচিত। আসুন সেগুলো সম্পর্কে জেনে নেই।

বনানী শাখা: প্রিমিয়াম ব্যাংকিংয়ের ঠিকানা

বনানীর অভিজাত এলাকায় অবস্থিত এই শাখাটি উচ্চবিত্ত গ্রাহকদের জন্য বিশেষ সেবা দেয়। এখানে আপনি প্রিমিয়াম ব্যাংকিং, ক্রেডিট কার্ডের বিশেষ সুবিধা এবং ব্যক্তিগত ঋণ দ্রুত পাবেন। বনানী শাখার পরিবেশ বেশ আরামদায়ক এবং কর্মকর্তারাও গ্রাহকদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলে সেবা দেন।

আমার এক বন্ধু সম্প্রতি এই শাখা থেকে হোম লোন নিয়েছে। সে বলছিল, অন্যান্য ব্যাংকের তুলনায় এখানে ঋণ প্রক্রিয়াকরণ অনেক দ্রুত হয় এবং কর্মকর্তারা সব ধাপে সাহায্য করেন।

ধানমন্ডি শাখা: সাধারণ গ্রাহকদের জন্য সহজলভ্য

ধানমন্ডি ২৭ নম্বর সড়কে অবস্থিত এই শাখাটি আবাসিক এলাকার মাঝে হওয়ায় সাধারণ গ্রাহকদের জন্য খুব সুবিধাজনক। এখানে সঞ্চয়ী হিসাব খোলা, রেমিট্যান্স তোলা ও ছোট ব্যবসায়ীদের ঋণ দেওয়ার কাজ বেশি হয়।

যারা বিদেশ থেকে টাকা পাঠান, তাদের জন্য এই শাখা ভালো। কারণ রেমিট্যান্স সেবা দেওয়ার জন্য এখানে আলাদা কাউন্টার আছে এবং সময়ও কম লাগে।

উত্তরা শাখা: ডিজিটাল সেবায় এগিয়ে

উত্তরার সেক্টর-৪-এ অবস্থিত এই শাখাটি আধুনিক ব্যাংকিং প্রযুক্তির জন্য পরিচিত। এখানে ডিজিটাল লেনদেনের সুবিধা, অনলাইন ব্যাংকিং রেজিস্ট্রেশন ও সিটিটাচ অ্যাপ ব্যবহার শেখানোর জন্য আলাদা কর্মকর্তা আছেন।

আপনি যদি ইন্টারনেট ব্যাংকিং বা মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে লেনদেন করতে চান, তাহলে উত্তরা শাখা থেকে সহায়তা নিতে পারেন। এছাড়া ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য এসএমই ঋণ ও বিনিয়োগ পরামর্শ দেওয়ারও ব্যবস্থা আছে এখানে।

মিরপুর শাখা: ছোট ব্যবসায়ীদের ভরসা

মিরপুরের ৬ নম্বর সেকশনে অবস্থিত এই শাখাটি শিল্পাঞ্চলের কাছাকাছি হওয়ায় ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের মধ্যে জনপ্রিয়। এখানে দ্রুত ঋণ প্রক্রিয়াকরণ ও ব্যবসায়িক পরামর্শ সেবা পাওয়া যায়।

আগের সেই উদ্যোক্তার কথাই বলি—মিরপুর শাখা থেকে পাঁচ লাখ টাকার এসএমই ঋণ নিয়ে সে তার পোশাক ব্যবসা বড় করেছে। এখন তার আয় আগের চেয়ে দ্বিগুণ হয়েছে। শুধু তাই না, ব্যাংকের কর্মকর্তারাই তাকে ব্যবসার বিভিন্ন দিক নিয়ে পরামর্শ দিয়েছেন, যা তার জন্য বড় সাহায্য ছিল।

সিটি ব্যাংকের প্রধান সেবাসমূহ যা আপনার কাজে লাগবে

সিটি ব্যাংক ঢাকা শাখা সমূহ থেকে আপনি কী কী সেবা পাবেন, সেটা আগে জেনে রাখলে প্রয়োজনে দ্রুত কাজ করতে পারবেন।

কীভাবে আপনার কাছের শাখাটি খুঁজে পাবেন

সিটি ব্যাংক ঢাকা শাখা সমূহ খুঁজে বের করার কয়েকটি সহজ উপায় আছে। সময় বাঁচাতে এগুলো ব্যবহার করতে পারেন।

ধাপে ধাপে: সিটি ব্যাংকে হিসাব খোলার পদ্ধতি

নতুন করে ব্যাংক হিসাব খুলবেন? তাহলে এই ধাপগুলো অনুসরণ করতে পারেন।

প্রথম ধাপ: শাখা নির্বাচন ও ফর্ম সংগ্রহ

আপনার এলাকার সবচেয়ে কাছের সিটি ব্যাংক ঢাকা শাখা সমূহ-র যেকোনো একটিতে যান। কাউন্টার থেকে হিসাব খোলার ফর্ম নিন। ফর্মটি ইংরেজিতে পূরণ করতে হবে, তাই প্রয়োজনীয় তথ্য আগে থেকে তৈরি রাখুন।

দ্বিতীয় ধাপ: কাগজপত্র জোগাড়

হিসাব খুলতে সাধারণত দুই কপি সত্যায়িত পাসপোর্ট ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, টিন সার্টিফিকেটের কপি ও ভোটার তালিকায় ঠিকানা না থাকলে ইউটিলিটি বিলের কপি লাগবে। ব্যবসায়ী হলে ট্রেড লাইসেন্সও দরকার।

তৃতীয় ধাপ: ফর্ম জমা ও সাক্ষাৎকার

পূরণ করা ফর্ম ও কাগজপত্র জমা দিন। কর্মকর্তারা আপনার তথ্য যাচাই করে কিছুক্ষণের মধ্যে হিসাব খুলে দেবেন। প্রথম জমা রাখার জন্য ন্যূনতম কিছু টাকা জমা দিতে হবে, যা হিসাবের ধরন অনুযায়ী কমবেশি হয়।

সিটি ব্যাংকের ডিজিটাল সেবা ব্যবহারের সহজ পদ্ধতি

সিটি ব্যাংক ঢাকা শাখা সমূহ-র সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো ডিজিটাল সেবা। আসুন জেনে নেই কীভাবে এগুলো ব্যবহার করবেন।

সিটিটাচ অ্যাব সেটআপ: শাখা থেকে হিসাব খোলার সময়ই মোবাইল ব্যাংকিং চালু করে দিতে বলেন। এরপর অ্যাপ ডাউনলোড করে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন। প্রথমবার লগইনের পর পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে নিন।

মোবাইল ব্যাংকিং দিয়ে যা করবেন:

নিরাপত্তার জন্য যা মানবেন:

বাস্তব অভিজ্ঞতা: সিটি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে সফল উদ্যোক্তা

আমার পরিচিত রোজিনা আক্তার ধানমন্ডিতে একটি ছোট হস্তশিল্পের দোকান চালাতেন। ব্যবসা বাড়ানোর জন্য তার বাড়তি পুঁজির দরকার ছিল। তিনি সিটি ব্যাংক ঢাকা শাখা সমূহ-র ধানমন্ডি শাখায় এসএমই ঋণের জন্য আবেদন করেন।

প্রথমে তিনি একটু দ্বিধায় ছিলেন—ঋণ পাবেন কি না, কত দিন সময় লাগবে—এসব ভেবে। কিন্তু ব্যাংকের কর্মকর্তারা তাকে পুরো প্রক্রিয়ায় সাহায্য করেন। ব্যবসার পরিকল্পনা, কাগজপত্র তৈরি—সবকিছুতেই পাশে ছিলেন। তিন সপ্তাহের মধ্যে তার ঋণ অনুমোদন হয়ে যায়।

এখন রোজিনার দোকান বড় হয়েছে, তিনি আরও পাঁচজন নারীকে কাজ দিতে পেরেছেন। তার ভাষায়, "ব্যাংকের সাহায্য না পেলে আমার এই ব্যবসা এত দূর আসতে পারত না। শুধু টাকা নয়, তারা পরামর্শ দিয়ে যে পাশে ছিল, সেটাই বড় কথা।"

এই উদাহরণ থেকে বোঝা যায়, সঠিক শাখা থেকে সঠিক সেবা নিলে আপনার জীবনেও পরিবর্তন আসতে পারে।

কোন শাখায় কী সেবা পাবেন: একটি দ্রুত তালিকা

আপনার কাজের ধরন বুঝে শাখা নির্বাচন করলে সময় বাঁচবে। নিচে কয়েকটি প্রয়োজনীয় সেবার জন্য কোন শাখা ভালো, তার একটা ধারণা দেওয়া হলো:

গ্রাহকদের জন্য কিছু ব্যবহারিক পরামর্শ

বছরের পর বছর ব্যাংকিং সেবা নেওয়ার অভিজ্ঞতা থেকে কিছু কথা বলি। সিটি ব্যাংক ঢাকা শাখা সমূহ থেকে সেবা নেওয়ার সময় এই বিষয়গুলো মাথায় রাখতে পারেন।

সিটি ব্যাংক কেন অন্য ব্যাংকের চেয়ে আলাদা

বাংলাদেশে অনেক ব্যাংক থাকলেও সিটি ব্যাংকের কিছু বিশেষ দিক আছে। সিটি ব্যাংক ঢাকা শাখা সমূহ-র সেবা নিয়ে একটু তুলনা করলেই বিষয়টি পরিষ্কার হবে।

তবে এর মানে এই না যে অন্য ব্যাংক খারাপ। যেমন ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এটিএম বুথের সংখ্যা বেশি, ব্র্যাক ব্যাংক ক্ষুদ্র ঋণে ভালো। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাংক বেছে নেবেন।

সাধারণ কিছু জিজ্ঞাসা ও উত্তর

সিটি ব্যাংক ঢাকা শাখা সমূহ কীভাবে খুঁজবো?

অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, সিটিটাচ অ্যাপ বা গুগল ম্যাপ ব্যবহার করে সহজেই আপনার কাছের শাখা খুঁজে পাবেন। এছাড়া ১৬২৩৪ নম্বরে ফোন করেও তথ্য নিতে পারেন।

সিটি ব্যাংকে হিসাব খুলতে কত দিন সময় লাগে?

সঠিক কাগজপত্র থাকলে একই দিনে হিসাব খুলে দেওয়া হয়। প্রথম জমা দেওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে লেনদেন শুরু করতে পারবেন।

এসএমই ঋণের জন্য কী কী কাগজপত্র লাগে?

জাতীয় পরিচয়পত্র, ট্রেড লাইসেন্স, ব্যবসার নিবন্ধন সনদ, ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও ব্যবসার ঠিকানার প্রমাণপত্র লাগে। আবেদনের ফর্মসহ সব কাগজ জমা দিলে যাচাই-বাছাই শুরু হয়।

সিটি ব্যাংকের কাস্টমার কেয়ার নম্বর কত?

১৬২৩৪ নম্বরে যে কোনো সময় ফোন করে তথ্য নিতে পারেন। এছাড়া ওয়েবসাইটের কন্টাক্ট ফর্ম ব্যবহার করেও যোগাযোগ করতে পারেন।

ইসলামী ব্যাংকিং সেবা কি সব শাখায় পাওয়া যায়?

না, নির্দিষ্ট কিছু শাখায় ইসলামী ব্যাংকিং সেবা চালু আছে। কোন শাখায় এই সেবা পাবেন, তা ওয়েবসাইটে দেখে নিতে পারেন।

সিটিটাচ অ্যাব দিয়ে কি আন্তর্জাতিক লেনদেন করা যায়?

হ্যাঁ, অ্যাপের মাধ্যমে বিদেশে টাকা পাঠানোর সুবিধা আছে। তবে এর জন্য আলাদাভাবে রেজিস্ট্রেশন করতে হতে পারে।

শেষকথা

সিটি ব্যাংক ঢাকা শাখা সমূহ শহরের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে থাকায় আপনি সহজেই ব্যাংকিং সেবা নিতে পারেন। মতিঝিলের বাণিজ্যিক এলাকা থেকে শুরু করে ধানমন্ডি, উত্তরা, মিরপুরের আবাসিক এলাকা—সব জায়গাতেই রয়েছে নির্ভরযোগ্য শাখা। প্রতিটি শাখার নিজস্ব কিছু বৈশিষ্ট্য আছে, যা আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী বেছে নিতে পারেন।

ব্যাংকিং সেবা নেওয়ার সময় শুধু শাখার ঠিকানা জানলেই হবে না, কোন শাখায় কী সেবা পাওয়া যায়, সেটাও জানা জরুরি। এই লেখায় সিটি ব্যাংকের প্রধান শাখাগুলোর অবস্থান, যোগাযোগের তথ্য ও সেবার ধরন তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। পাশাপাশি ডিজিটাল সেবা ও ঋণ পাওয়ার পদ্ধতি নিয়েও আলোচনা করেছি।

আপনি যদি নতুন করে হিসাব খুলতে চান, ঋণ নিতে চান বা শুধু তথ্যের জন্য জানতে চান—তাহলে নিকটতম শাখায় যোগাযোগ করুন। আর হ্যাঁ, অভিজ্ঞতা থাকলে বা কোনো প্রশ্ন থাকলে নিচে কমেন্ট করুন। আপনার মতামত আমাদের কাছে মূল্যবান।

ব্যাংকিং সেবা নিয়ে আরও তথ্য পেতে আমাদের ওয়েবসাইটের অন্য লেখাগুলো দেখতে পারেন। বিশেষ করে সিটি ব্যাংক নিয়ে লেখাটি পড়তে পারেন। আপনার ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা কেমন? কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না।