ডাচ-বাংলা ব্যাংক

ডাচ বাংলা ব্যাংক ডিপিএস চার্ট ২০২৬: ৯.৫% মুনাফায় নতুন তালিকা ও বিস্তারিত নিয়মাবলী

বিষ্যতের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে আমরা সবাই কিছু না কিছু সঞ্চয় করতে চাই। আর সঞ্চয়ের কথা এলেই বাংলাদেশের মানুষের আস্থার তালিকার শীর্ষে থাকে ডাচ বাংলা ব্যাংক। আপনি যদি ২০২৬ সালে এসে একটি লাভজনক ডিপিএস বা মাসিক সঞ্চয় স্কিম চালু করার পরিকল্পনা করে থাকেন, তবে আজকের এই লেখাটি আপনার জন্যই। আজকের আর্টিকেলে আমরা ডাচ বাংলা ব্যাংক ডিপিএস চার্ট ২০২৬ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। বিশেষ করে ব্যাংকটি তাদের গ্রাহকদের জন্য যে আকর্ষণীয় ৯.৫% মুনাফার ঘোষণা দিয়েছে, সেই তালিকা এবং নিয়মকানুনগুলো আমরা ধাপে ধাপে জেনে নেব।

চলুন জেনে নেওয়া যাক ডাচ বাংলা ব্যাংকের নতুন ডিপিএস রেট, অ্যাকাউন্ট খোলার নিয়ম এবং মেয়াদ শেষে আপনি কত টাকা পাবেন তার বিস্তারিত হিসাব।

ডাচ বাংলা ব্যাংক ডিপিএস চার্ট ২০২৬ এবং ইন্টারেস্ট রেট ওভারভিউ

নতুন বছরের শুরুতেই গ্রাহকদের জন্য সুখবর নিয়ে এসেছে ডাচ বাংলা ব্যাংক। তারা তাদের বিভিন্ন মেয়াদী ডিপিএস স্কিমে ইন্টারেস্ট রেট বা মুনাফার হার বেশ আকর্ষণীয় পর্যায়ে রেখেছে। সাধারণ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা এফডিআর-এর তুলনায় ডিপিএস স্কিমে বর্তমানে ভালো মুনাফা পাওয়া যাচ্ছে।

বর্তমানে ডাচ বাংলা ব্যাংক তাদের এজেন্ট ব্যাংকিং এবং রেগুলার ডিপোজিট প্লাস স্কিম (DPS) উভয়ের জন্যই ৯.৫% হারে ইন্টারেস্ট প্রদান করছে। এটি গ্রাহকদের জন্য একটি দারুণ সুযোগ, কারণ দীর্ঘমেয়াদী বা স্বল্পমেয়াদী—উভয় ক্ষেত্রেই এই উচ্চ হারের মুনাফা প্রযোজ্য হচ্ছে। নিচে আমরা একটি ছকের মাধ্যমে ২০২৬ সালের আপডেট করা ডিপিএস চার্টটি তুলে ধরছি।

ডিপিএস ইন্টারেস্ট রেট টেবিল

নিচে ডাচ বাংলা ব্যাংকের বিভিন্ন মেয়াদী ডিপিএস এবং তাদের বর্তমান ইন্টারেস্ট রেট দেওয়া হলো:

ডিপিএস প্রোডাক্টের নামমেয়াদ (বছর)ইন্টারেস্ট রেট (মুনাফার হার)
এজেন্ট ব্যাংকিং ডিপিএস৩ বছর৯.৫%
এজেন্ট ব্যাংকিং ডিপিএস৫ বছর৯.৫%
এজেন্ট ব্যাংকিং ডিপিএস৮ বছর৯.৫%
এজেন্ট ব্যাংকিং ডিপিএস১০ বছর৯.৫%
ডিপোজিট প্লাস স্কিম (DPS)৩ বছর৯.৫%
ডিপোজিট প্লাস স্কিম (DPS)৫ বছর৯.৫%
ডিপোজিট প্লাস স্কিম (DPS)৮ বছর৯.৫%
ডিপোজিট প্লাস স্কিম (DPS)১০ বছর৯.৫%

উপরের ছক থেকে এটি স্পষ্ট যে, আপনি ৩ বছর থেকে শুরু করে ১০ বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের জন্যই ডিপিএস খুলুন না কেন, ব্যাংক আপনাকে বাৎসরিক ৯.৫% হারে মুনাফা প্রদান করবে।

এজেন্ট ব্যাংকিং ডিপিএস এবং রেগুলার ডিপিএস এর পার্থক্য

অনেকেই ডাচ বাংলা ব্যাংক ডিপিএস চার্ট ২০২৬ দেখার পর এজেন্ট ব্যাংকিং এবং সাধারণ ডিপিএস-এর মধ্যে বিভ্রান্ত হয়ে যান। যদিও চার্ট অনুযায়ী ইন্টারেস্ট রেট বা মুনাফার হার উভয় ক্ষেত্রেই সমান (৯.৫%), তবুও এদের পরিচালন পদ্ধতিতে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে।

এজেন্ট ব্যাংকিং ডিপিএস:

বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে যেখানে ব্যাংকের মূল শাখা নেই, সেখানে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে গেছে। আপনি যদি এজেন্ট আউটলেট থেকে অ্যাকাউন্ট খোলেন, তবে সেটি এজেন্ট ব্যাংকিং ডিপিএস হিসেবে গণ্য হবে। এটি গ্রামের বা মফস্বলের গ্রাহকদের জন্য অত্যন্ত সুবিধাজনক। এখানেও আপনি মূল ব্যাংকের মতোই ৯.৫% হারে মুনাফা পাবেন।

ডিপোজিট প্লাস স্কিম (রেগুলার):

এটি ব্যাংকের মূল শাখা অথবা নেক্সাস পে (NexusPay) অ্যাপ ব্যবহার করে খোলা যায়। যারা শহর অঞ্চলে থাকেন বা সরাসরি ব্যাংকের ব্রাঞ্চে গিয়ে লেনদেন করতে পছন্দ করেন, তাদের জন্য এই স্কিমটি উপযুক্ত। ডিজিটাল প্রযুক্তির কল্যাণে এখন ঘরে বসেই অ্যাপের মাধ্যমে এই ডিপিএস খোলা সম্ভব হচ্ছে।

ডাচ বাংলা ব্যাংকে ডিপিএস খোলার নিয়মাবলী

আপনি যদি সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন যে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা জমাবেন, তবে আপনাকে কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। ২০২৬ সালে ব্যাংক তাদের নিয়মকানুন আরও সহজ করেছে।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

ডিপিএস খোলার জন্য সাধারণত নিচের কাগজপত্রগুলোর প্রয়োজন হয়:

  • ১. গ্রাহকের জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) এর কপি।
  • ২. সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের রঙ্গিন ছবি (২ কপি)।
  • ৩. নমিনির জাতীয় পরিচয়পত্র এবং ছবি (১ কপি)।
  • ৪. ডাচ বাংলা ব্যাংকে একটি সেভিংস অ্যাকাউন্ট থাকা আবশ্যক (লিংক অ্যাকাউন্টের জন্য)।
  • ৫. অর্থের উৎসের প্রমাণপত্র (বড় অংকের ডিপিএস-এর ক্ষেত্রে লাগতে পারে)।

অ্যাপের মাধ্যমে ডিপিএস খোলার পদ্ধতি

এখন আর লাইনে দাঁড়িয়ে ডিপিএস খোলার প্রয়োজন নেই। আপনার মোবাইলে যদি ডাচ বাংলা ব্যাংকের ‘NexusPay’ অ্যাপ থাকে, তবে খুব সহজেই আপনি ডিপিএস খুলতে পারবেন। ধাপগুলো নিচে দেওয়া হলো:

  • প্রথমে NexusPay অ্যাপে লগইন করুন।
  • ‘Open Account’ বা ‘DPS’ অপশনে ক্লিক করুন।
  • আপনার পছন্দমতো মেয়াদ (৩, ৫, ৮ বা ১০ বছর) সিলেক্ট করুন।
  • উপরের চার্ট অনুযায়ী ৯.৫% ইন্টারেস্ট রেট নিশ্চিত হয়ে নিন।
  • মাসিক কিস্তির পরিমাণ নির্ধারণ করুন (যেমন ৫০০, ১০০০, ২০০০ বা ৫০০০ টাকা)।
  • নমিনির তথ্য দিন এবং সাবমিট করুন।
  • আপনার একাউন্ট থেকে প্রথম কিস্তির টাকা কেটে নেওয়া হবে এবং ডিপিএস চালু হয়ে যাবে।

মেয়াদ শেষে কত টাকা পাবেন? (মুনাফার হিসাব)

ডাচ বাংলা ব্যাংক ডিপিএস চার্ট ২০২৬ অনুযায়ী ৯.৫% ইন্টারেস্ট রেট ধরে আমরা একটি সাধারণ হিসাব বা ক্যালকুলেশন দেখতে পারি। মনে রাখবেন, ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত মুনাফার ওপর সরকারি ভ্যাট বা ট্যাক্স এবং আবগারি শুল্ক কর্তন করা হয়। তাই প্রকৃত প্রাপ্ত টাকা কিছুটা কমবেশি হতে পারে।

ধরুন আপনি মাসে ৫,০০০ টাকা করে জমা করছেন। ৯.৫% মুনাফা হলে মেয়াদ শেষে আনুমানিক কত টাকা পেতে পারেন তার একটি ধারণা নিচে দেওয়া হলো:

৩ বছর মেয়াদী:

৩ বছরে আপনার আসল জমা হবে ১,৮০,০০০ টাকা। ৯.৫% মুনাফাসহ আপনি ভ্যাট কাটার আগে আনুমানিক ২,০৮,০০০ টাকা থেকে ২,১০,০০০ টাকার মতো পেতে পারেন।

৫ বছর মেয়াদী:

৫ বছরে আপনার আসল জমা হবে ৩,০০,০০০ টাকা। মেয়াদ শেষে মুনাফাসহ এই অংকটি ৩,৮০,০০০ টাকার উপরে যেতে পারে।

১০ বছর মেয়াদী:

এটি দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগের জন্য সেরা। ১০ বছরে আপনার আসল জমা হবে ৬,০০,০০০ টাকা। চক্রবৃদ্ধি হারে ৯.৫% মুনাফা যোগ হয়ে মেয়াদ শেষে আপনি প্রায় ১০,০০,০০০ (দশ লক্ষ) টাকার কাছাকাছি বা তার বেশি অ্যামাউন্ট পেতে পারেন।

দ্রষ্টব্য: এই হিসাবটি একটি আনুমানিক ধারণা মাত্র। ব্যাংকের পলিসি, সরকারি ট্যাক্স এবং সময়ের সাথে সাথে এই অংক পরিবর্তন হতে পারে।

ডাচ বাংলা ব্যাংকের ডিপিএস এর সুবিধাসমূহ

অন্যান্য ব্যাংকের তুলনায় ডাচ বাংলা ব্যাংকের ডিপিএস কেন সেরা, তার কিছু কারণ নিচে আলোচনা করা হলো:

উচ্চ মুনাফার হার: বর্তমানে খুব কম ব্যাংকই দীর্ঘমেয়াদে ৯.৫% ইন্টারেস্ট রেট অফার করছে। সেই হিসেবে ডাচ বাংলা ব্যাংক এগিয়ে আছে।

বিস্তৃত নেটওয়ার্ক: ডাচ বাংলা ব্যাংকের এটিএম এবং ফাস্ট ট্র্যাক বুথ সারা দেশজুড়ে ছড়িয়ে আছে। ফলে টাকা জমা দেওয়া বা মেয়াদ শেষে টাকা তোলা খুবই সহজ।

অটো ডেবিট সুবিধা: আপনার সেভিংস অ্যাকাউন্টের সাথে ডিপিএস লিংক করা থাকলে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট তারিখে অটোমেটিক টাকা কেটে নেওয়া হবে। ব্যাংকে গিয়ে লাইন ধরার ঝামেলা নেই।

ঋণ সুবিধা: ডিপিএস চালু থাকা অবস্থায় আপনার জরুরি টাকার প্রয়োজন হলে, আপনি জমা করা টাকার ওপর ভিত্তি করে ঋণ বা লোন নিতে পারবেন। সাধারণত জমা টাকার ৮০% থেকে ৯০% পর্যন্ত লোন পাওয়া যায়।

ডিপিএস খোলার আগে যে বিষয়গুলো জানা জরুরি

ডাচ বাংলা ব্যাংক ডিপিএস চার্ট ২০২৬ দেখে বিনিয়োগ করার আগে কিছু সতর্কতা বা নিয়ম জানা থাকা ভালো।

কিস্তি মিস হলে করণীয়:

পরপর তিন মাস কিস্তি দিতে ব্যর্থ হলে ব্যাংক আপনার ডিপিএস অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করে দিতে পারে অথবা জরিমানা করতে পারে। তাই অ্যাকাউন্টে সবসময় পর্যাপ্ত ব্যালেন্স রাখা উচিত।

ম্যাচুরিটির আগে টাকা তোলা:

মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই যদি আপনি ডিপিএস ভেঙে ফেলতে চান, তবে আপনি ৯.৫% হারে মুনাফা পাবেন না। সাধারণত সেভিংস অ্যাকাউন্টের রেট অনুযায়ী মুনাফা দেওয়া হয় এবং কিছু ক্ষেত্রে চার্জ কাটা হয়।

ট্যাক্স ও ভ্যাট:

আপনার যদি টিআইএন (TIN) সার্টিফিকেট থাকে, তবে মুনাফার ওপর ১০% বা ১৫% ট্যাক্স কাটা হবে। টিআইএন না থাকলে এই কাটার হার আরও বেশি হতে পারে। তাই ডিপিএস খোলার সময় টিআইএন জমা দেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।

কেন ২০২৬ সালে ডাচ বাংলা ব্যাংক ডিপিএস সেরা পছন্দ?

অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতার এই সময়ে নিরাপদ বিনিয়োগের জায়গা খুঁজে পাওয়া কঠিন। শেয়ার মার্কেট বা ব্যবসার ঝুঁকিতে না গিয়ে নিশ্চিত মুনাফার জন্য ব্যাংকে টাকা রাখা নিরাপদ। ডাচ বাংলা ব্যাংক বাংলাদেশের অন্যতম শক্তিশালী এবং প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত ব্যাংক।

তাদের ২০২৬ সালের নতুন চার্ট অনুযায়ী ৩ থেকে ১০ বছর—সব মেয়াদেই সমান ইন্টারেস্ট রেট রাখা হয়েছে। এটি গ্রাহকদের স্বাধীনতা দেয়। আপনি চাইলে অল্প সময়ের জন্য টাকা রাখতে পারেন, আবার চাইলে দীর্ঘ সময়ের জন্য রেখে বড় অংকের রিটার্ন পেতে পারেন। বিশেষ করে এজেন্ট ব্যাংকিং ডিপিএস গ্রামের মানুষের জন্য সঞ্চয়ের দুয়ার খুলে দিয়েছে।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)

ডাচ বাংলা ব্যাংকের বর্তমান ডিপিএস রেট কত?

২০২৬ সালের চার্ট অনুযায়ী, ডাচ বাংলা ব্যাংক ৩, ৫, ৮ এবং ১০ বছর মেয়াদী ডিপিএস-এর জন্য ৯.৫% ইন্টারেস্ট দিচ্ছে।

আমি কি মাসে ৫০০ টাকা জমা দিয়ে ডিপিএস খুলতে পারব?

হ্যাঁ, ডাচ বাংলা ব্যাংকে সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে বিভিন্ন অংকের ডিপিএস খোলার সুযোগ রয়েছে।

অ্যাপ দিয়ে ডিপিএস খুললে কি ব্যাংকে যাওয়ার প্রয়োজন আছে?

না, NexusPay অ্যাপ দিয়ে ডিপিএস খুললে সাধারণত ব্যাংকে যাওয়ার প্রয়োজন হয় না। তবে নমিনির ছবি বা তথ্যের জন্য ব্রাঞ্চে যোগাযোগ করার প্রয়োজন হতে পারে যদি অ্যাপে কোনো সমস্যা হয়।

ডিপিএস-এর টাকা কি এটিএম থেকে তোলা যায়?

ডিপিএস-এর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর টাকাটি আপনার মূল সেভিংস অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার হয়ে যাবে। এরপর আপনি এটিএম কার্ড ব্যবহার করে সেই টাকা তুলতে পারবেন।

নমিনি পরিবর্তন করা যায় কি?

হ্যাঁ, অ্যাকাউন্ট হোল্ডার চাইলে ব্যাংকে লিখিত আবেদন করে যেকোনো সময় নমিনি পরিবর্তন করতে পারেন।

শেষ কথা

পরিশেষে বলা যায়, ডাচ বাংলা ব্যাংক ডিপিএস চার্ট ২০২৬ পর্যলোচনা করে দেখা যাচ্ছে যে, ব্যাংকটি গ্রাহকদের জন্য অত্যন্ত লাভজনক একটি অফার নিয়ে এসেছে। ৯.৫% মুনাফার হার বর্তমান বাজার প্রেক্ষাপটে বেশ ভালো। আপনি যদি আপনার কষ্টার্জিত অর্থের সঠিক ব্যবহার এবং ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চান, তবে আজই আপনার নিকটস্থ ডাচ বাংলা ব্যাংকের শাখা বা এজেন্ট আউটলেটে যোগাযোগ করতে পারেন। অথবা ঘরে বসেই অ্যাপের মাধ্যমে শুরু করতে পারেন আপনার সঞ্চয়ের যাত্রা। মনে রাখবেন, আজকের ছোট সঞ্চয়ই আপনার আগামী দিনের বড় শক্তি।

আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের উপকারে আসবে। ব্যাংকিং এবং ফাইন্যান্স বিষয়ক আরও এমন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button