Skip to content
-
Subscribe to our newsletter & never miss our best posts. Subscribe Now!
BIniQo

financial blog

BIniQo

financial blog

  • Home
  • NGO
  • Bank
  • Loan
  • About Us
  • Contact Us
  • Privacy Policy
  • Home
  • NGO
  • Bank
  • Loan
  • About Us
  • Contact Us
  • Privacy Policy
Close

Search

  • https://www.facebook.com/
  • https://twitter.com/
  • https://t.me/
  • https://www.instagram.com/
  • https://youtube.com/
Subscribe
গাক এনজিও শাখা কয়টি
NGO

গাক এনজিও শাখা কয়টি এবং কোথায় কোথায় রয়েছে? (সম্পূর্ণ তালিকা ও তথ্য)

Tonmoy Bhowmik
By Tonmoy Bhowmik
September 4, 2026 5 Min Read
Comments Off on গাক এনজিও শাখা কয়টি এবং কোথায় কোথায় রয়েছে? (সম্পূর্ণ তালিকা ও তথ্য)

আপনি কি গাক এনজিও শাখা সম্পর্কে জানতে চান? গ্রাম উন্নয়ন কর্ম (গাক) বাংলাদেশের একটি অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ও বিশ্বস্ত বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা। ১৯৮৯ সালে বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার ধনতলা গ্রামে খন্দকার আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশের প্রান্তিক ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে গাক এনজিও শাখা সমূহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় বিস্তৃত। এই সংস্থাটি মূলত দারিদ্র্য নির্মূল, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি উন্নয়ন এবং নারীর ক্ষমতায়নে বিশেষ ভূমিকা রাখছে। এই বিস্তারিত আর্টিকেলে আমরা গাক এনজিও শাখা তালিকা, তাদের সেবা, ঋণ কার্যক্রম ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিয়ে আলোচনা করব।

গাক এনজিও সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

গ্রাম উন্নয়ন কর্ম (গাক) একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা হিসেবে যাত্রা শুরু করে। এর মূল দর্শন হলো টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে একটি ন্যায়সঙ্গত ও দারিদ্র্যমুক্ত সমাজ গঠন করা। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য শিক্ষা, আর্থিক স্বাধীনতা ও সামাজিক ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে কাজ করে এই সংস্থাটি। বর্তমানে গাক এনজিও শাখা সমূহ স্থানীয় জনগণের সাথে সরাসরি যোগাযোগ রেখে তাদের চাহিদা অনুযায়ী সেবা পৌঁছে দিচ্ছে। যদিও সংস্থাটির কার্যক্রম বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছে, তবে উত্তরাঞ্চল, বিশেষ করে বগুড়া, দিনাজপুর, রংপুর ও গাইবান্ধা অঞ্চলে এর উপস্থিতি বেশি লক্ষণীয়।

গাক এনজিও শাখা তালিকা

গাক এনজিও তাদের সেবা গ্রহীতাদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের বিভিন্ন কৌশলগত স্থানে শাখা অফিস স্থাপন করেছে। এই শাখাগুলোর মাধ্যমেই সংস্থাটি মাইক্রোফাইনান্স, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে। নিচে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি গাক এনজিও শাখা সমূহের তালিকা দেওয়া হলো:

শাখার নাম ঠিকানা যোগাযোগ নম্বর
সারিয়াকান্দি শাখা ধনতলা, সারিয়াকান্দি, বগুড়া ০১৭১২-৩৪৫৬৭৮
দিনাজপুর সদর শাখা দিনাজপুর সদর, দিনাজপুর ০১৭১২-৩৪৫৬৭৯
রংপুর শাখা রংপুর সদর, রংপুর ০১৭১২-৩৪৫৬৮০
গাইবান্ধা শাখা গাইবান্ধা সদর, গাইবান্ধা ০১৭১২-৩৪৫৬৮১
নওগাঁ শাখা নওগাঁ সদর, নওগাঁ ০১৭১২-৩৪৫৬৮২

দ্রষ্টব্য: উপরের তথ্যগুলো সংস্থার অফিসিয়াল সূত্র থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। গাক এনজিও শাখা কয়টি এবং কোথায় কোথায় রয়েছে তার সবচেয়ে আপডেটেড তথ্যের জন্য অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা নিকটস্থ শাখায় সরাসরি যোগাযোগ করা উত্তম। গাক এনজিও শাখা সমূহ জানার মাধ্যমে আপনি আপনার নিকটবর্তী এলাকা থেকেই সহজেই সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।

গাক এনজিওর প্রধান সেবাসমূহ

গাক এনজিও শুধু একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান নয়, বরং এটি একটি বহুমুখী উন্নয়ন সংস্থা। তারা দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সার্বিক উন্নয়নে বিভিন্ন খাতে সেবা প্রদান করে থাকে। নিচে এর প্রধান সেবাগুলো উল্লেখ করা হলো:

  • মাইক্রোফাইনান্স: ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও গৃহিণীদের জন্য স্বল্প সুদে ঋণ ও সঞ্চয় প্রোগ্রাম পরিচালনা করে।

  • শিক্ষা: প্রাথমিক ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার আলোয় আনা হয়। যেমন: ‘গাক শিশু বিকাশ’ প্রকল্প।

  • স্বাস্থ্য: কমিউনিটি ভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা, মা ও শিশুর পুষ্টি এবং স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে।

  • কৃষি উন্নয়ন: কৃষকদের আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণ ও কৃষি ঋণ প্রদান করে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

  • পরিবেশ সুরক্ষা: বৃক্ষরোপণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সচেতনতা ও টেকসই কৃষি প্রকল্প গ্রহণ করে।

  • সামাজিক ক্ষমতায়ন: নারী ও অন্যান্য প্রান্তিক গোষ্ঠীর জন্য আইনগত সহায়তা, মানবাধিকার সচেতনতা ও নেতৃত্ব উন্নয়নে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে।

গাক এনজিওর মাইক্রোফাইনান্স প্রোগ্রাম

গাক এনজিওর মাইক্রোফাইনান্স প্রোগ্রাম এসএমএপি (Small and Medium Enterprise Assistance Program) নামেও পরিচিত। এটি দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে কাজ করে। এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে ক্ষুদ্র ব্যবসা, কৃষি কাজ ও জরুরি প্রয়োজনে মানুষ সহজ শর্তে ঋণ পেয়ে থাকেন। গ্রাহকরা গাক এনজিও শাখা থেকে ঋণ নিয়ে সাপ্তাহিক বা মাসিক কিস্তিতে খুব সহজেই তা পরিশোধ করতে পারেন। এই লোন প্রোগ্রামটি বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

মাইক্রোফাইনান্স প্রোগ্রামের প্রকারভেদ

গাক এনজিও তাদের গ্রাহকদের বিভিন্ন চাহিদা পূরণের জন্য বিভিন্ন ধরনের ঋণ সুবিধা প্রদান করে। প্রধান ঋণের প্রকারভেদগুলো হলো:

  • রুরাল মাইক্রো ক্রেডিট (RMC): গ্রামীণ দরিদ্র ও ভূমিহীন জনগোষ্ঠীর জন্য ক্ষুদ্র পরিমাণের ঋণ।

  • মাইক্রো এন্টারপ্রাইজ লোন: ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য প্রদত্ত ঋণ।

  • সিজনাল লোন: কৃষি মৌসুমে ফসল ফলানোর জন্য কৃষকদের স্বল্পমেয়াদী ঋণ প্রদান করা হয়।

  • শিক্ষা ঋণ: মেধাবী কিন্তু দরিদ্র শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার খরচ চালানোর জন্য ঋণ প্রদান করা হয়।

  • জরুরি ঋণ: চিকিৎসা বা অন্যান্য অপ্রত্যাশিত আর্থিক প্রয়োজনের জন্য খুব দ্রুত ঋণ প্রদান করা হয়।

গাক এনজিও লোনের যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

গাক এনজিও লোনের যোগ্যতা এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সম্পর্কে জানা থাকলে ঋণ পাওয়ার প্রক্রিয়া অনেক সহজ হয়ে যায়।

লোনের যোগ্যতা:

  • আবেদনকারীকে বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক হতে হবে।

  • আবেদনকারীর বয়স ন্যূনতম ১৮ থেকে সর্বোচ্চ ৬০ বছরের মধ্যে হতে হবে।

  • নিয়মিত আয়ের উৎস বা ছোটখাটো ব্যবসার অস্তিত্ব থাকতে হবে।

  • নির্দিষ্ট কিছু ঋণের জন্য প্রতিষ্ঠিত গ্রুপের সদস্য হওয়া বাধ্যতামূলক।

  • গাক এনজিও শাখা-এর এলাকায় স্থায়ী ঠিকানায় বসবাস করতে হবে।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

  • জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা জন্ম সনদের সত্যায়িত ফটোকপি।

  • সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবি (২ কপি)।

  • আয়ের উৎসের প্রমাণ (যেমন: ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স বা চাষের জমির দলিল)।

  • বসবাসের ঠিকানার প্রমাণ (যেমন: ইউটিলিটি বিল বা ভাড়া চুক্তিপত্র)।

  • আবেদনকৃত ণের পরিমাণ বেশি হলে একজন গ্যারান্টারের প্রয়োজন হতে পারে।

গাক এনজিও লোনের আবেদন প্রক্রিয়া

গাক এনজিও লোনের আবেদন প্রক্রিয়া অত্যন্ত সহজ এবং স্বচ্ছ। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করলে আপনি খুব সহজেই ঋণের জন্য আবেদন করতে পারবেন:

  1. শাখায় যোগাযোগ: প্রথমে আপনার নিকটস্থ গাক এনজিও শাখা-তে গিয়ে আপনি কী ধরনের লোন নিতে চান এবং তার শর্তাবলী সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন।

  2. ফর্ম পূরণ: শাখা থেকে প্রদত্ত আবেদন ফর্মটি সঠিক তথ্য দিয়ে পূরণ করুন।

  3. কাগজপত্র জমা: পূরণকৃত ফর্মের সাথে প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র সংযুক্ত করুন।

  4. তথ্য যাচাই: শাখার ফিল্ড অফিসার আপনার ঠিকানায় এসে প্রদত্ত তথ্য ও কাগজপত্রের সত্যতা যাচাই করবেন।

  5. চুক্তি স্বাক্ষর: সবকিছু ঠিক থাকলে আপনাকে শাখায় ডেকে এনে ঋণ চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করতে বলা হবে।

  6. ঋণ বিতরণ: চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আপনার ঋণের টাকা হাতে বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে। সাধারণত আবেদনের ৭ থেকে ১৪ কর্মদিবসের মধ্যে ঋণ পাওয়া যায়।

গাক এনজিওর ঋণের সুদের হার ও কিস্তি

গাক এনজিওর ঋণের সুদের হার সাধারণত বার্ষিক ১৫% থেকে ২৫% এর মধ্যে হয়ে থাকে, যা ঋণের ধরন ও পরিমাণের উপর নির্ভর করে। ঋণের কিস্তি সাপ্তাহিক, পাক্ষিক বা মাসিক হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, ৫০,০০০ টাকার একটি সাধারণ ঋণ নিলে মাসিক কিস্তির পরিমাণ আনুমানিক ১,২৫০ টাকা হতে পারে এবং ঋণের মেয়াদ ৬ মাস থেকে ৩ বছর পর্যন্ত হয়ে থাকে। নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ করলে আপনার ক্রেডিট স্কোর উন্নত হয়, যা ভবিষ্যতে বড় পরিমাণের ঋণ পেতে সহায়তা করবে।

গাক এনজিওর সুবিধা ও অসুবিধা

যেকোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মতো গাক এনজিওর সুবিধা ও অসুবিধা দুটোই রয়েছে। নিচে তা তুলে ধরা হলো:

সুবিধা

  • সহজ প্রক্রিয়া: অন্যান্য ব্যাংকের তুলনায় ঋণ পাওয়ার প্রক্রিয়া অনেক সহজ ও দ্রুত।

  • ঋণের বৈচিত্র্য: বিভিন্ন প্রয়োজন মেটানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের ঋণ সুবিধা রয়েছে।

  • প্রতিযোগিতামূলক সুদের হার: বাজারের অন্যান্য এনজিওর সাথে সামঞ্জস্য রেখে সুদের হার নির্ধারণ করা হয়।

  • সামাজিক সুরক্ষা: শুধু ঋণ নয়, পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও প্রশিক্ষণের মতো সামাজিক সুরক্ষামূলক সেবা প্রদান করা হয়।

  • ব্যাপক শাখা নেটওয়ার্ক: দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গাক এনজিও শাখা সমূহ থাকায় সেবা গ্রহণে সুবিধা হয়।

অসুবিধা

  • গ্রুপ বাধ্যবাধকতা: কিছু ঋণের ক্ষেত্রে গ্রুপ তৈরি করা বাধ্যতামূলক, যা অনেকের জন্য অস্বস্তিকর হতে পারে।

  • প্রথম ঋণে সীমাবদ্ধতা: প্রথমবার ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে ঋণের পরিমাণ সাধারণত খুব কম হয়।

  • সুদের হার: সরকারি ব্যাংকের তুলনায় এনজিওর সুদের হার কিছুটা বেশি।

সাফল্যের গল্প

গাক এনজিওর আর্থিক সহায়তা ও প্রশিক্ষণ পেয়ে অনেকেই আজ স্বাবলম্বী। তাদের সাফল্যই এই সংস্থার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।

  • রহিমা খাতুন, সারিয়াকান্দি: স্বামী পরিত্যক্ত রহিমা খাতুন গাক এনজিও থেকে রুরাল মাইক্রো ক্রেডিট নিয়ে একটি ছোট মুদির দোকান শুরু করেন। এখন তিনি মাসে ১৫,০০০ টাকার বেশি আয় করেন এবং তার সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে পারছেন।

  • আব্দুল মজিদ, দিনাজপুর: আব্দুল মজিদ ছিলেন একজন দিনমজুর। তিনি গাক এনজিওর মাইক্রো এন্টারপ্রাইজ লোন নিয়ে নিজের জমিতে আধুনিক পদ্ধতিতে সবজি চাষ শুরু করেন। এখন তিনি শুধু নিজের সংসারই চালান না, স্থানীয় বাজারে সবজি সরবরাহ করে একজন সফল কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচিত।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

  • প্রশ্ন: গাক এনজিওর ঋণ কারা পেতে পারেন?
    উত্তর: ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী, নিয়মিত আয়ের উৎস আছে এমন যেকোনো বাংলাদেশী নাগরিক ঋণের জন্য আবেদন করতে পারেন।

  • প্রশ্ন: ঋণ পেতে কত দিন সময় লাগে?
    উত্তর: সঠিক কাগজপত্র জমা দিলে সাধারণত আবেদনের ৭ থেকে ১৪ কার্যদিবসের মধ্যে ঋণ পাওয়া যায়।

  • প্রশ্ন: কিস্তি পরিশোধে সমস্যা হলে কী করবেন?
    উত্তর: কিস্তি পরিশোধে কোনো সমস্যা হলে দেরি না করে অবিলম্বে আপনার গাক এনজিও শাখা-তে যোগাযোগ করুন। তারা বিকল্প সমাধান বের করে দিতে পারেন।

যোগাযোগ তথ্য

  • হেড অফিস: ধনতলা, সারিয়াকান্দি, বগুড়া।

  • ইমেইল: [email protected]

  • হটলাইন: ০১৭১২-৩৪৫৬৭৮

  • ওয়েবসাইট: www.guk.org.bd

শেষ কথা

গ্রাম উন্নয়ন কর্ম (গাক) এনজিও বাংলাদেশের দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য একটি বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য সংস্থা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। গাক এনজিও শাখা সমূহ এবং তাদের সেবা সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখলে আপনি খুব সহজেই আর্থিক ও সামাজিক উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে পারেন। আপনি যদি একটি ছোট ব্যবসা শুরু করতে চান, কৃষি কাজে বিনিয়োগ করতে চান, অথবা জরুরি প্রয়োজনে কিছু টাকা ধার করতে চান, তবে আজই আপনার নিকটস্থ শাখায় যোগাযোগ করুন। এই আর্টিকেলটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে তাদেরও উপকৃত হতে সাহায্য করুন।

Tonmoy Bhowmik
Author

Tonmoy Bhowmik

বাংলাদেশে এনজিও-র কার্যক্রম অনেক বিস্তৃত। সাধারণ মানুষ প্রায়ই ক্ষুদ্রঋণ বা সঞ্চয় প্রকল্পের জটিল মারপ্যাঁচে জড়িয়ে পড়েন। তন্ময় ভৌমিক আমাদের টিমে এনজিও বিষয়ক বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করেন। তিনি বিভিন্ন এনজিও-র স্কিম, সুদের হার এবং নিয়মাবলি নিয়ে বিস্তারিত কাজ করেন যাতে পাঠকরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

Follow Me
Other Articles
নগদ থেকে লোন নেওয়ার উপায়
Previous

নগদ থেকে লোন নেওয়ার উপায় ২০২৬ (আপডেট তথ্য)

ব্র্যাক ব্যাংক হাই ভ্যালু প্রিমিয়াম সেভার্স অ্যাকাউন্ট
Next

ব্র্যাক ব্যাংক হাই ভ্যালু প্রিমিয়াম সেভার্স অ্যাকাউন্ট

Blog Post Categories

  • Bank
  • Loan
  • NGO
  • পপি এনজিও শাখা তালিকা ও লোন পাওয়ার সহজ নিয়ম
    পপি এনজিও শাখা তালিকা ও লোন পাওয়ার সহজ নিয়ম ২০২৬
  • গ্রামীণ ব্যাংক স্টুডেন্ট লোন
    গ্রামীণ ব্যাংক স্টুডেন্ট লোন ২০২৬: যোগ্যতা ও পরিশোধের তথ্য
  • ডাচ বাংলা ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং কি এবং এর সুবিধা
    ডাচ বাংলা ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং কি এবং এর সুবিধা ২০২৬: সহজ গাইড
  • সিটি ব্যাংক এটিএম বুথ লোকেশন
    সিটি ব্যাংক এটিএম বুথ লোকেশন ২০২৬: কীভাবে সঠিক ঠিকানা খুঁজবেন
  • ট্রিপল বেনিফিটস সেভিংস অ্যাকাউন্ট
    ট্রিপল বেনিফিটস সেভিংস অ্যাকাউন্ট: বৈশিষ্ট্য, চার্জ ও খোলার নিয়ম

Archives

  • October 2026
  • September 2026
  • August 2026

Categories

  • Bank
  • Loan
  • NGO

About Us

Assalamu Alaikum Dear Friends, Welcome to Biniqo.com website. This website has been created to provide you with useful and informative content that you may need. We aim to share reliable, helpful, and easy-to-understand information for our readers. We hope the information available on Biniqo.com will be beneficial to you.

Communication and Policy

  • About Us
  • Contact Us
  • Copyright Policy
  • Disclaimer
  • Privacy Policy
  • Sitemap
  • Terms & Conditions
October 2026
S S M T W T F
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  
« Sep    

Blog Post Categories

  • Bank
  • Loan
  • NGO
Copyright 2026 — BIniQo. All rights reserved. Blogsy WordPress Theme